প্রচ্ছদ >> সম্পাদকীয়

কুষ্টিয়া সরকারী কলেজে একাদশ শ্রেণীর ভর্তিতে অনিয়মের অভিযোগ

কুষ্টিয়া সরকারী কলেজে একাদশ শ্রেণীর  ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষে বিজ্ঞান ও বাণিজ্য বিভাগে ১০০ আসনে ভর্তিতে ব্যাপক অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।অধ্যক্ষের সহযোগিতায় ছাত্রলীগ ও কয়েকজন শিক্ষক মিলে ১০০ আসন ভাগাভাগি করে নিয়েছে বলে জানা গেছে। কলেজের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষকের বাসায় বসে আসন ভাগাভাগি হয়েছে। একই সাথে মানবিক বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্রে ১০ মিনিট অন্তর অন্তর অপেক্ষামান তালিকা করে ভর্তি বানিজ্য করারও অভিযোগ তুলেছেন শিক্ষার্থীরা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মেধা তালিকায় এ বছর প্রতিটি বিভাগে সাড়ে ৩০০ শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে চান্স পাওয়ার পরও ৪০ জনের মত শিক্ষার্থী ভর্তি হয়নি এ বছর। পরে যশোর বোর্ড থেকে অপেক্ষমান তালিকা থেকে তিন বিভাগে অতিরিক্ত অরো ১০০জন শিক্ষার্থী ভর্তি করার জন্য সরকারি কলেজকে নির্দেশ দেয়া হয়। জানা গেছে, কুষ্টিয়া সরকারী কলেজে ১১ জুলাই ভর্তির সময়সীমা শেষ হয়ে যায়। এদিন বিজ্ঞান ও বাণিজ্য বিভাগে আরও ১০০ আসনে শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ দেয়া হয় যশোর বোর্ড থেকে। আর এ সুযোগটি কাজে লাগায় ছাত্রলীগ ও হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের  শিক্ষক শামসুল হোসেন। ভর্তির সময়সীমা ১১ জুলাই শেষ হওয়ায় ওইদিনই তড়িঘড়ি কলেজ কর্তৃপক্ষ ১০০ আসনে ভর্তি ফি’র (টিটি) টাকা ট্রান্সফার করে। ভর্তি ফি’র টাকা ট্রান্সফার করা শেষ হলে ওই ১০০ আসনের  ভর্তি ফরম বিতরন করা হয় নেতা ও শিক্ষকদের পছন্দের শিক্ষার্থীদের মধ্যে। এর কারনে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী অপেক্ষমান তালিকার অনেক ওপরের দিকে রোল নম্বর থাকার পরও ভর্তি হতে পারেনি অনেকে।

এই বিভাগের সর্বশেষ আপডেট