প্রচ্ছদ >> সম্পাদকীয়

অনলাইন সংবাদমাধ্যমের নিবন্ধন শুরু ‘এক সপ্তাহের মধ্যে’

আলফা নিউজ ডেস্ক:সোমবার তথ্য মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, সব আবেদন যাচাই করে সিদ্ধান্ত জানাতে কিছুটা সময় লাগবে। আগামীতে আবারও নিবন্ধনের জন্য দরখাস্ত চাওয়া হবে। মন্ত্রী বলেন, এবার ৩ হাজার ৫৯৭টি দরখাস্ত তথ্য মন্ত্রণালয়ে জমা পড়েছিল। সেগুলো তদন্ত করার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিল। “স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তখন টেলিকম মিনিস্ট্রি, আইসিটি মিনিস্ট্রিকে নিয়ে সভা করে। সেখানে আবেদনগুলোর বিষয়ে তদন্ত করে দ্রুততম সময়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে প্রতিবেদন দিতে অনুরোধ করা হয়।” স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে কয়েকশ আবেদনের তদন্ত শেষ করেছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, “সেটি আজ বা কালকের মধ্যে আমাদের কাছে পাঠিয়ে দেবে। আমরা আগামী সপ্তাহের মধ্যে অনলাইনগুলোর নিবন্ধন দেওয়া শুরু করব।” সরকারের কয়েকটি সংস্থা এই তদন্তে যুক্ত আছে জানিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, “যেসব অনলাইন নিবন্ধিত হবে না, সেগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তবে ভবিষ্যতেও যে কেউ অনলাইন করতে পারে। সেজন্য আমরা পরবর্তীতে দরখাস্ত আহ্বান করব।” ‘অপসাংবাদিকতা’ রোধে সব অনলাইন সংবাদমাধ্যমকে নিবন্ধনের আওতায় আনতে ২০১৫ সালের নভেম্বরে আবেদন নেওয়া শুরু করে সরকার। শুরুতে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হলেও সময় বাড়ানো হয় কয়েক দফা। তথ্যমন্ত্রী বলেন, “এখনতো কোনো অবলম্বন ছাড়া যে কেউ অনলাইন খুলে বসে। দেখা গেল যে, ঘরের মধ্যে বসে কয়েকজনে মিলে একটি অনলাইন চালায়। এমন ঘটনাও ঘটছে।” তিনি বলেন, “এখন চাইলেই একটি পত্রিকা বের করা যায় না, আগে ডিক্লারেশন নিতে হয়, নামে ছাড়পত্র নিতে হয়, ভবিষ্যতে অনলাইনের ক্ষেত্রেও একটি প্রক্রিয়া অবলম্বন করতে হবে।” এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন পত্রিকা ও টেলিভিশন আলাদাভাবে অনলাইন ভার্সন চালু করেছে। সরকার সবকিছুই শৃঙ্খলার মধ্যে আনার জন্য প্রক্রিয়া শুরু করেছে। টেলিভিশনে ডাবিং করা বিদেশি সিরিয়াল সম্প্রচারের ক্ষেত্রে অনুমতি নেওয়া বাধ্যবাধকতা আরোপের পর বেশ কিছু আবেদন জমা পড়েছে বলে জানান তথ্যমন্ত্রী। এর মধ্যে কিছু আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, “পরীক্ষা নিরীক্ষা ছাড়া অনুমতি দেওয়া সমীচীন নয়। সেজন্য একটি বাছাই কমিটি করা হয়েছে এবং ২৭ নভেম্বর প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।” কমিটিতে সরকারের একজন অতিরিক্ত সচিব ছাড়াও নাট্যকার-অভিনেতা মামুনুর রশীদ ও সারা জাকের, টেলিভিশন ওনার্স অ্যাসেসিয়েশনের একজন প্রতিনিধি, ডিরেক্টর গিল্ডের একজন প্রতিনিধি, অভিনয় শিল্পী সংঘের একজন প্রতিনিধি রয়েছেন। একজন উপ-সচিব এ কমিটির সাচিবিক দায়িত্ব পালন করছেন। মন্ত্রী বলেন, মোবাইল কোম্পানিগুলো বিভিন্ন ভিডিও কনটেন্ট সোশাল মিডিয়ায় দিচ্ছে, আবার সেখানে বিজ্ঞাপনও নেওয়া হচ্ছে। “এর লাইসেন্স তাদেরকে (মোবাইল কোম্পানি) দেওয়া হয়নি, তাদেরকে মোবাইল নেটওয়ার্ক পরিচালনা করার লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। তারা যেভাবে ভিডিও কনটেন্ট নিয়ে ব্যবসা করছে। এর লাইসেন্স তাদের দেওয়া হয়নি।” এটা বন্ধ করতে ইতোমধ্যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়া হয়েছে এবং আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকেও বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, “একটি শৃঙ্খলায় আনতে সরকার বদ্ধ পরিকর। কারণ এভাবে যে কেউ চাইলেই যে কোনো কিছু লাইসেন্সবিহীনভাবে করতে পারে না।” এসব কনটেন্ট দেখার সুযোগ বন্ধ করা হবে কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, বিটিআরসিকে বলা হয়েছে, তারা সিদ্ধান্ত নেবে। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
এই বিভাগের সর্বশেষ আপডেট