প্রচ্ছদ >> প্রযুক্তি

অপরাধী চক্রে গ্রামীণফোনের ২ কর্মকর্তা!

আলফা নিউজ ডেস্ক: অপরাধীদের কাছে ৫০০ টাকা থেকে ৫ হাজার টাকায় সিম বিক্রি করতেন গ্রামীণফোনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ (বিজনেস সেলস) সৈয়দ তানভীরুর রহমান (৩৫) ও পরিবেশক তৌফিক হোসেন খান পলাশ (৩৮)।ব্যক্তিপর্যায়ে সিম ক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রত্যেকের জাতীয় পরিচয়পত্র ও বায়োমেট্রিক প্রয়োজন। তবে কোনো প্রতিষ্ঠানের নামে কর্পোরেট সিম ইস্যু করার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট একজনের নামেই প্রয়োজনীয় সবগুলো সিম রেজিস্ট্রেশন করা হয়। সেই সুযোগকেই কাজে লাগাতেন গ্রামীণফোনের এই দুই কর্মকর্তা। তারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে বাড়তি সিম ইস্যু করে বাইরে বিক্রি করতেন। তাদের যোগসাজশে এসব সিম সাধারণত অপরাধীদের কাছে সরবরাহ করা হতো। রোববার দুপুরে কারওয়ান বাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‌্যাব-৪ এর অধিনায়ক (সিও) অ্যাডিশনাল ডিআইজি চৌধুরী মঞ্জুরুল কবির। এর আগে শনিবার রাতে মিরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সৈয়দ তানভীরুর রহমান ও তৌফিক হোসেন খান পলাশকে আটক করে র‌্যাব-৪। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৫৫৩টি সিম, বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশনের কাজে ব্যবহৃত ১টি ল্যাপটপ ও ৯টি ট্যাব উদ্ধার করা হয়। অ্যাডিশনাল ডিআইজি মঞ্জুরুল বলেন, গ্রামীণফোনের দুইটি নাম্বার থেকে এক শ্রীলঙ্কান নাগরিকের কাছ থেকে ১০ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। ওই ঘটনায় গত ১৯ সেপ্টেম্বর ভাষাটেক থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। ওই ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে দেখা যায়, জিপি নাম্বার দুইটি মাইক্রোকডেস ইনফরমেশন নামে একটি কোম্পানির নামে রেজিস্ট্রেশন করা। যা তৌফিক হোসেন খান পলাশের মালিকানাধীন মোনাডিক বাংলাদেশ নামে একটি ডিসট্রিবিউশন হাউজের মাধ্যমে ইস্যু করা হয় আর এই ডিসট্রিবিউশন হাউজের তদারকির দায়িত্বে ছিলেন গ্রামীণফোন কর্মকর্তা সৈয়দ তানভীরুর রহমান।র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, মাইক্রোকডেস ইনফরমেশন কোম্পানির অনুমতি ছাড়াই সিমগুলো অ্যাকটিভ করা হয়েছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে তৌফিক ও তানভীরুরকে আটক করা হয়। পরে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর বিভিন্ন তথ্য। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-৪ এর সিও বলেন, তানভীর ও পলাশ বিভিন্ন বৈধ কোম্পানির নামে প্রয়োজনের চেয়ে বাড়তি সিম ইস্যু করতেন। তারপর সেগুলো ব্যক্তিগত ভাবে লাভের আশায় বাইরে উচ্চমূল্যে বিক্রি করতেন। এসব সিম সাধারণত অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসায়ী ও অপরাধীরা ক্রয় করে ব্যবহার করতেন। প্রাথমিকভাবে ৪২টি কোম্পানির অধীনে ৮৬৭টি অবৈধ সিম অ্যাক্টিভ পাওয়া গেছে জানিয়ে তিনি বলেন, তৌফিক সাধারণত সিমগুলো বিভিন্ন কোম্পানির নামে ইস্যু করে ক্লিয়ারেন্স পাঠাতো আর তানভীরুর সিমগুলো অ্যাক্টিভেট করতেন। অ্যাক্টিভেট ৮৬৭টি সিম কোথায় কে ব্যবহার করছেন বিষয়গুলো তদন্তধীন রয়েছে। এ চক্রের সঙ্গে জড়িতরা যতো বড় ক্ষমতাধরই হোক সবাইকে সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানান অ্যাডিশনাল ডিআইজি মঞ্জুরুল। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
FacebookMySpaceTwitterDiggDeliciousStumbleuponGoogle BookmarksRedditNewsvineTechnoratiLinkedinMixxRSS FeedPinterest
Pin It

এরশাদ নিবেন নারীদের সাক্ষাৎকার

সম্পাদকীয় |  বৃহস্পতিবার, 16 জানুয়ারী 2014
দশম জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে জাতীয় পার্টির (জাপা)...
Read More

কলকাতার পতিতালয় থেকে হলিউড পরিচালক!

সম্পাদকীয় |  বুধবার, 18 সেপ্টেম্বর 2013
ডেস্ক খবর: মানুষের জীবনের উত্থান-পতন কখনো কখনো সত্যিই অ...
Read More

কিভাবে শাড়ি পরবেন?

লাইফস্টাইল -1 |  রবিবার, 22 সেপ্টেম্বর 2013
ঢাকা: শাড়ি বাঙালি ললনাদের জীবনের সাথে যেন ওতপ্রোতভাবে ...
Read More

ফেসবুক হোম হোক আপনার সঙ্গী

লাইফস্টাইল -1 |  মঙ্গলবার, 23 জুলাই 2013
সব সময়ই হয়তো ফেসবুকে থাকতে পছন্দ করেন আপনি। সারাক্ষণই...
Read More

টার্গেট ল্যাপটপ: ছিনতাইয়ের শিকার ৪ সাংবাদিক

মুক্তমত-1 |  মঙ্গলবার, 10 সেপ্টেম্বর 2013
ঢাকা: রাজধানীতে ছিনতাইকারীদের তৎপরতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্র...
Read More

চাল ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স নিতে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত সময়

সম্পাদকীয় |  সোমবার, 02 অক্টোবার 2017
আলফা নিউজ ডেস্ক : এই সময়ের মধ্যে যেসব ব্যবসায়ী লাইসেন...
Read More
এই বিভাগের সর্বশেষ আপডেট