প্রচ্ছদ >> সারাদেশ

রামগতি ও কমলনগরে জোয়ারের পানিতে ৩০টি গ্রাম প্লাবিত

লক্ষীপুর প্রতিনিধি: মেঘনার উপকূলীয় অঞ্চল লক্ষ্মীপুরের রামগতি ও কমলনগরে জোয়ারের পানিতে ৩০টি গ্রাম প্লাবিত। পূর্ণিমায় ও সমুদ্রের সৃষ্ট লঘুচাপে স্বাভাবিকের চেয়ে ৫-৭ ফুট পানি বেড়ে বুধবার দুপুর থেকে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়। এতে করে ওইসব এলাকার বিভিন্ন পেশার লক্ষাধিক মানুষ পানি বন্দি ছাড়াও চরম দুর্ভোগে পড়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, ৫/৭ বছরে নদী ভাঙ্গনে ও গত ১৬ মে মহাসেন ঘূর্নিঝড়ে লক্ষ্মীপুরের সদর রামগতি ও কমলনগর উপজেলার মেঘনা পাড়ের বেড়িবাঁধের প্রায় ৪৩ কিলোমিটার এলাকা ভেঙ্গে যায়। বেড়ি বাঁধ ভেঙ্গে পড়ায় বুধবার দুপুর থেকে জেলার রামগতি উপজেলার চরগাজি, বড়খেরি, চররমিজ, চরআলগী, চর আলেকজান্ডার ও চর আব্দুল্যাহ ইউনিয়নের প্রায় ২২টি গ্রাম এবং কমলনগর উপজেলার চরফলকন, পাটারির হাট, সাহেবেরহাট, চরজগবন্ধু, কাদির পান্ডিতেরহাট, মতিরহাট, লুধুয়া ও চরকালকিনি কমলনগর উপজেলার ৮টি গ্রামসহ ৩০টি গ্রাম জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে।

রামগতি পৌর মেয়র সাহেদ আলী পটু এবং চেয়ারম্যান আবুল খায়ের জানান, এ উপজেলার পৌরসভা সহ ৬ টি ইউনিয়নের ২২ গ্রাম এবং কমলনগর উপজেলার চর ফলকন  ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এ এন এফ আশ্রারাফ উদ্দিন জানান, জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে ৫ থেকে ফুট বৃদ্ধি পাওয়ায় ৮টি সহ মোট ৩০টি গ্রামের গ্রামের রাস্তাঘাট, হাটবাজার, ঘরবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ও বিভিন্ন স্থাপনাসহ শত শত একর ফসলি জমি ভেসে গেছে। ভিবিন্ন মৎস ঘের এবং পুকুর, ডোবার কোটি কোটি টাকার মাছ ভেসে গেছে। প্রায় লক্ষাধিক মানুষ পানি বন্দি হয়ে দুর্ভোগের কবলে পড়েছে। এছাড়াও জোয়ারের পানি উঠা নামা করায় মেঘনা নদীর ভাঙন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে উপকূলীয় এলাকার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল আউয়াল জানান, পূর্ণিমায় সমুদ্রে সৃষ্ট লঘুচাপের কারনে জোয়ারের পানিতে বিভিন্ন গ্রাম প্লাবিত হওয়ায় বিষয়টি উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরীতে উপজেলা প্রশাসন সার্বক্ষণিক তদারকিতে রয়েছেন।

এই বিভাগের সর্বশেষ আপডেট